ব্রেকিং নিউজ
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / ‘কাজের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব’ : অমিতাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঢাবির তরুণীর

‘কাজের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব’ : অমিতাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঢাবির তরুণীর

Spread the love

দেশের খ্যাতিমান নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ছোট পর্দায় সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তিনি বড় পর্দায়ও আত্মপ্রকাশ করেছেন। তার নির্মিত ‘আয়নাবাজি’ দেশজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ‘রিকশা গার্ল’ সিনেমার কাজ।

এদিকে আচমকাই অমিতাভ রেজার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। তার নাম সুমাইয়া অনন্যা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। মডেলিংয়ে কিছু কাজ করেছেন। সুমাইয়া জানান, অমিতাভ রেজা তাকে যৌনতার প্রস্তাব দিয়েছেন।

সুমাইয়া অনন্যার দাবি, অমিতাভ রেজার সঙ্গে তার আগে থেকেই আলাপ হয়েছিল। তবে সবসময় স্বাভাবিকভাবেই কথা হতো। কিন্তু একটি কাজের প্রস্তাব নিয়েই হলো বিপত্তি। কারণ সে কাজের বিনিময়ে এই তরুণীকে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছেন অমিতাভ রেজা।

ঢাবির এই শিক্ষার্থী তার ফেসবুকে অমিতাভ রেজার সঙ্গে আলাপের স্ক্রিনশট পোস্ট করে লিখেছেন, অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ফ্যান ফলোয়ারের অভাব নেই নিশ্চয়ই। ‘আয়নাবাজি’ দেখার পর আমিও তার মোটামুটি ফ্যান বলা চলে। কয়েক বছর হলো উনি আমার লিস্টে রয়েছেন। কয়েকবার আলাপ হয়েছে ক্যাম্পাস লাইফ নিয়ে। আজ হঠাৎ আমার ডে’র ক্লিভেজ বের করা ছবি দেখে আমাকে নক দেন তিনি (যেটা আমি প্রথমে খেয়াল করিনাই)। তারপর শুটিংয়ের অফার দিলো এবং বাকি কথা সব স্ক্রিনশটে দেয়া আছে, দেখেন।

এদিকে সুমাইয়া অনন্যার এমন অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। তিনি জানান, অভিযুক্ত আইডিটি ফেইক। ভ্যারিফাইড আইডি ছাড়া তার অন্য কোনো আইডি নেই।

এই বিষয়ে সুমাইয়া অনন্যা বলেন, তার সঙ্গে আমার ভিডিও কলেও কথা হয়েছে, যার স্ক্রিনশটও দিলাম। তার দুইটা আইডিই আমার লিস্টে ছিল। তিনি আমাকে শুটের জন্য অনেক কিছু বললেন, বাংলালিংক-এর বিশাল শুট, বিলবোর্ড হবে ইত্যাদি। তারপর শর্ত হিসেবে বললেন, আজকে প্রডিউসারের সাথে সেক্স করতে হবে! আমি না করে দিলাম, যার কারণে দুইটা আইডি থেকেই আনফ্রেন্ড করেছেন আমাকে।

এদিকে অমিতাভ রেজার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পর নানা দিক থেকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সুমাইয়া অনন্যা। তিনি বলেন, আমি জানি একজন অমিতাভ রেজার বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য কতটুক কি পোহাতে হবে আমার। আমি পোহাবো, দৌড়াবো যতটুকু দৌড়ানো যায়।